নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ ও আল্টিমেটাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পদ্ধতিগত কারচুপি, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার প্রতিবাদে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট। আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও প্রচার সম্পাদক এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে জোটের একটি প্রতিনিধি দল সিইসির কাছে নির্বাচনের দিন ও পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন অভিযোগ সম্বলিত নথিপত্র জমা দেন।
বিক্ষোভ কর্মসূচির সূচি জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী:
- তারিখ: আগামীকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)।
- স্থান: রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হবে।
- মূল দাবি: নেতাকর্মীদের ওপর হামলা বন্ধ, নির্বাচনী অনিয়মের তদন্ত এবং বিতর্কিত আসনগুলোতে ফলাফল পুনঃগণনা।
বৈঠক শেষে নেতাদের বক্তব্য বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হচ্ছে। আমরা কমিশনকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সন্তোষজনক পদক্ষেপ দেখতে পাইনি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, অনেক কেন্দ্রে ১১ দলীয় জোটের পোলিং এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দিয়ে ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে। ভয়-ভীতি প্রদর্শনের কারণেই এবার ভোটার উপস্থিতি কম হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। জামায়াত নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এমন কারচুপি সম্ভব নয় এবং এর প্রতিকার না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।



















