ফেব্রুয়ারির ৮-১২ তারিখের মধ্যে ভোট, বাড়লো ভোটের সময়কাল; প্রবাসীদের নিবন্ধন ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের তফসিল চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন ঘোষণা করা হতে পারে। তফসিল ঘোষণা ও প্রচারের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের ভাষণ রেকর্ডের জন্য কাল, ১০ তারিখে, বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেতারকে ডেকেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভাষণ রেকর্ডের দিন দুপুরে রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও ইসির সাক্ষাতের সূচি রয়েছে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ রেকর্ডের জন্য বিটিভি ও বেতারকে ১০ তারিখে ডাকা হয়েছে।” নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “১০ ডিসেম্বর হতে পারে [তফসিল ঘোষণা]। আর তো সময় নেই, ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে তফসিল দিতে হবে।”
ভোটের সময় বৃদ্ধি ও প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্ব:
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, এবার ভোট গ্রহণের সময় ৮ ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে ৯ ঘণ্টা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থাৎ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট চলবে। ইসির ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির ৮ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে একই দিনে গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হতে পারে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩০০টি সংসদীয় আসনের সীমানা অপরিবর্তিত রেখে গেজেট প্রকাশিত সীমানার আলোকেই তফসিল ঘোষণা করা হবে।
রবিবার প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচন কমিশন জানায়, ফেব্রুয়ারিতে একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে তারা ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’। প্রস্তুতির বিষয়ে পূর্ণ সহযোগিতা করার জন্য সিইসি ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান। সিইসি আরও বলেন, নাগরিকদের নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা দেশে নির্বাচনি ‘আমেজ’ সৃষ্টি করেছে।
প্রবাসী ভোট ও পর্যবেক্ষক সংস্থা:
প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোট নেওয়ার আয়োজন হচ্ছে ‘আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটের’ মাধ্যমে। এ পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে বিভিন্ন দেশ থেকে ২ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি প্রবাসী নিবন্ধন করেছেন, যা চলবে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ইসি জানিয়েছে, নিবন্ধনকারীদের ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়ে দেওয়া হবে। প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার এই নির্বাচন আয়োজনে ১০ লাখের বেশি লোকবল নিয়োজিত থাকবে।
এদিকে, আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণ করতে ৮১টি দেশীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দিয়ে তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি। এই সংস্থাগুলো আগামী পাঁচ বছর সব ধরনের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে।



















