প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, তাড়াহুড়ো করে নয়; বরং পারস্পরিক আস্থা, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সম্মানজনক আমন্ত্রণের ভিত্তিতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর অনুষ্ঠিত হতে পারে। সম্প্রতি দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন, ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেও ব্রিকস সম্মেলনের আগে সফর নিয়ে জল্পনা থাকলেও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মেনে সুনির্দিষ্ট জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখার পক্ষেই অবস্থান সরকারের। একই সাথে দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামিদের ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বা প্রচারমাধ্যমে স্পেস দেওয়াকে গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার পরিপন্থী উল্লেখ করে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বর্তমান সরকারের ভারসাম্যমূলক পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা হচ্ছে এবং সৌদি রাজপরিবারের আমন্ত্রণে শীঘ্রই প্রধানমন্ত্রীর রিয়াদ সফর চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে। এছাড়া জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়কে বর্তমান সরকারের বৈশ্বিক স্বীকৃতির প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা হবে। বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়েও ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।


















