সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ঐতিহাসিক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা কৌশলগত ও কাঠামোগত দিক থেকে ন্যাটোর ‘অনুচ্ছেদ-৫’ (আর্টিকেল ৫) ভিত্তিক যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার সমতুল্য বলে নিশ্চিত করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। শনিবার (৮ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চুক্তি অনুযায়ী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ চালানো হলে তা জোটের ওপর যৌথ হামলা হিসেবে গণ্য হবে। তবে হাকান ফিদান স্পষ্ট করে দাবি করেন যে, এই সামরিক ঐক্য কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা ইরানকে লক্ষ্য করে গঠন করা হয়নি।
উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের অব্যাহত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার উদ্বেগের মুখে দীর্ঘ দুই বছর আট মাসের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর আঞ্চলিক এই সুন্নিশক্তিগুলো মক্কায় একত্র হয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তিটির প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনায় সৌদি আরবে একটি সাধারণ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং ন্যাটোর আদলে একটি মন্ত্রী পর্যায়ের কমিটি গঠিত হবে। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও প্রকাশ করেন, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের পরিকল্পনা হলো এই জোটের পরিধি আরও বাড়ানো এবং কৌশলগত কিছু অগ্রগতি সম্পন্ন হলে এতে মিসরসহ অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা।


















