উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া থেকে বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশের চেষ্টাকালে ভূমধ্যসাগরের ক্রিট দ্বীপ উপকূলে অভিযান চালিয়ে ২০২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে গ্রিক কোস্টগার্ড। উদ্ধারপ্রাপ্ত অভিবাসীদের একটি বড় অংশই বাংলাদেশের নাগরিক। এছাড়া তাদের মধ্যে সুদান ও মিসরের নাগরিকও রয়েছেন। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ‘ফ্রন্টেক্স’-এর একটি উড়োজাহাজে নৌযানগুলোর অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পর গত ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে পর পর কয়েকটি সফল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। লিবিয়ার তবরুক উপকূল থেকে গ্রিসের উদ্দেশে রওয়ানা হওয়া এসব নৌযানের অভিবাসীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বর্তমানে ক্রিট দ্বীপের হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থান দেওয়া হয়েছে।
একযোগে এত বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর আগমনে ক্রিট দ্বীপের অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর ওপর চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক নৌযান থেকে বাংলাদেশি ও সুদানি নাগরিকদের উদ্ধারের পাশাপাশি মানব পাচারের অভিযোগে ১৬ বছর বয়সী দক্ষিণ সুদানীয় এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, লিবিয়া থেকে গ্রিসে পৌঁছাতে ওই কিশোর প্রতি অভিবাসীর কাছ থেকে ১,৫০০ থেকে ২,০০০ মার্কিন ডলার অর্থ নিয়েছিল এবং সমুদ্রের ঝুঁকিপূর্ণ পথে ট্রলার পরিচালনা করছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে প্রবেশের আন্তর্জাতিক রুট হিসেবে ভূমধ্যসাগরের এই ট্রানজিট পয়েন্টটি ব্যবহারের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।


















