বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কিশোর-কিশোরীদের বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই সমাপনী আয়োজনে তিনি খুদে ক্রীড়াবিদদের আত্মগঠন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ও দিকনির্দেশনার মূল পয়েন্টসমূহ:
- শিক্ষা ও ক্রীড়ার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নির্মাণ: প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার যে কাজ শুরু হয়েছে, তা সম্পন্ন করবে আজকের শিশুরা। পড়ার সময় মন দিয়ে পড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং অন্যান্য প্রতিভার বিকাশে নিজেদের আত্মনিয়োগ করার পরামর্শ দেন তিনি।
- পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা: শিশুদের প্রতি বিশেষ বার্তা দিয়ে তিনি রাস্তাঘাট, পুকুর ও নদীনালায় প্লাস্টিকের বোতল বা ময়লা ফেলা বন্ধ করার আহ্বান জানান। কোথাও ময়লা দেখলে তা নিজ দায়িত্বে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার এবং প্রতিবছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন।
- পশুপাখি ও প্রকৃতির প্রতি মানবিকতা: প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় কুকুর, বিড়াল বা অন্যান্য পশুপাখির প্রতি নির্দয় না হয়ে তাদের যত্ন নেওয়া এবং কোনো ক্ষতি না করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
- শিক্ষা ও ক্রীড়া খাতে সরকারি সহায়তা: বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত মানোন্নয়ন এবং পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, গান ও ছবি আঁকার মতো ক্ষেত্রগুলোতে শিশুদের বিকাশে সরকার সর্বাত্মক সমর্থন দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
- গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ আহ্বান: সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান, যেন প্রচলিত রাজনৈতিক সংবাদের পাশাপাশি শিশুদের এই আয়োজন ও সাফল্যগুলোকে জাতীয় গণমাধ্যমে ‘লিড নিউজ’ বা প্রধান খবর হিসেবে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী, যেখানে তরুণদের ভেতর থেকেই আগামী দিনের চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ উঠে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।



















