রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে দেশের সংবিধানের নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন ও ক্ষমতা হস্তান্তরের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী এই প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ: সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। বর্তমান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাময়িকভাবে এই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
- পদত্যাগের সাংবিধানিক বিধান: সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি চাইলে স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন।
- নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- সংসদে ভোটাভুটি ও নির্বাচন: ১৯৯১ সালে ১২শ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা চালুর পর থেকে সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আসছেন। সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মনোনীত একক প্রার্থীর কারণে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার বিধানই কার্যকর হয়।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হবে এবং স্পিকার পুনারায় তাঁর নিজস্ব সাংবিধানিক দায়িত্বে ফিরে যাবেন।


















