ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে স্পেন। ফাইনালের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনন্য কীর্তি গড়েছে স্প্যানিশরা। ঐতিহাসিক এই বিশ্বজয়ের পাশাপাশি বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা নির্ধারিত রেকর্ড পরিমাণ আর্থিক পুরস্কার বা প্রাইজমানিও নিজেদের ঝুলিতে পুরেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। শুধু চ্যাম্পিয়ন কিংবা রানার্সআপ দলই নয়, টুর্নামেন্টের নতুন বিন্যাস অনুযায়ী অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই তাদের শেষ অবস্থান ও পারফরম্যান্স অনুযায়ী কোটি কোটি টাকার পুরস্কার অর্থ লাভ করেছে।
এবারের ঐতিহাসিক আসর শুরু হওয়ার আগেই ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য মোট প্রাইজমানি বিগত আসরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। সেই ঘোষণা অনুযায়ী পুরো টুর্নামেন্টের মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২৩.১২ টাকা ধরে) বাংলাদেশি মুদ্রায় অবিশ্বাস্য ১০ হাজার ৭২৪ কোটি টাকারও বেশি। এই বিপুল পরিমাণ প্রাইজমানির মধ্যে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন একাই পেয়েছে ৫ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকা আর্জেন্টিনা ঘরে তুলেছে ৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা।
টুর্নামেন্টের অন্যান্য পজিশনে থাকা দলগুলোর মধ্যেও এই অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে বণ্টন করা হয়েছে:
- তৃতীয় স্থান (ইংল্যান্ড): ২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৫৭ কোটি টাকা)।
- চতুর্থ স্থান (ফ্রান্স): ২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা)।
- কোয়ার্টার ফাইনালিস্ট (৪টি দল): প্রতিটি দল পেয়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ২৩৩ কোটি টাকা)।
- শেষ ষোলো বা রাউন্ড অব ১৬ (৮টি দল): প্রতিটি দল পেয়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার (প্রায় ১৮৪ কোটি টাকা)।
- শেষ ৩২ বা রাউন্ড অব ৩২ (১৬টি দল): প্রতিটি দল পেয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার (প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা)।
- গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলসমূহ: বিদায়ী প্রতিটি দলের জন্য বরাদ্দ ছিল ৯০ লাখ ডলার (প্রায় ১১০ কোটি টাকা)।



















