শুক্রবার , ১৭ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

টানা বৃষ্টি ও বন্যায় ৪৩ জেলায় কৃষি বিপর্যস্ত

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১৭, ২০২৬ ১০:০১ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা কয়েক দিনের বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দেশের ৪৩টি জেলায় কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা, বরিশাল, খুলনা ও সিলেট অঞ্চল। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৫ লাখেরও বেশি কৃষক চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমির বিভিন্ন ফসল সম্পূর্ণ বা আংশিক নষ্ট হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিবরণে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত জমির একটি বিশাল অংশই আউশ ধানের আবাদ (প্রায় ৭৯ হাজার ৫০০ হেক্টর)। এছাড়া দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে ১০ হাজার ৫০৪ হেক্টর আমনের বীজতলা এবং ১৭ হাজার ৮০০ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজির আবাদি জমিসহ আদা, হলুদ ও পেঁপে খেত বন্যার পানিতে তলিয়ে পচে গেছে। জেলাভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্যে হবিগঞ্জে প্রায় ১ হাজার ২৮৬ হেক্টর আউশ ধান ও ১৫৫ হেক্টর আমন বীজতলা, পটুয়াখালীতে ২ হাজার ৮০৫ হেক্টর জমির ফসল এবং মৌলভীবাজারের রাজনগর ও কমলগঞ্জে বিপুল পরিমাণ রোপা আমন ও বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।

এদিকে, বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের অধীনে চলমান ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের চরম দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী, স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর সংশোধিত সময়সূচি পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলসহ ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে আরও দুই থেকে তিন দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও শেরপুর জেলায় সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলী ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আশার কথা হলো, রংপুর অঞ্চলের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের ফেনী, মুহুরী, গোমতী, সাঙ্গু, হালদা ও মাতামুহুরী নদীর পানি আগামী দুদিন কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত