গণতন্ত্র রক্ষা ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রত্যাশা বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ১৬ বছরের দীর্ঘ লড়াই ছিল গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য এবং আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তাঁদের মূল প্রত্যাশা হলো সেই গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে প্রকৃত রাষ্ট্র সংস্কারের পথ উন্মোচিত হবে।
নির্বাচনী পরিবেশ ও ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ শঙ্কা ঠাকুরগাঁওয়ে তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সফরকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করে ফখরুল বলেন, ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এবার ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা ভোট কারচুপির কোনো আশঙ্কা তিনি দেখছেন না। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁদের দায়িত্ব নিরপেক্ষভাবে পালন করবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে। বিএনপি সব সময় জনরায়ের ওপর আস্থাশীল এবং সুষ্ঠু ভোট হলে ফলাফল তাঁদের পক্ষেই যাবে।
প্রতিপক্ষ ও ভোটারদের প্রতি আহ্বান এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব জানান, তাঁরা কোনো প্রতিপক্ষকেই দুর্বল মনে করেন না এবং প্রতিটি নির্বাচনকে গুরুত্বের সাথে দেখছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রচার কৌশলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বিভিন্নভাবে ‘ভুয়া নিউজ’ বা অপপ্রচার চালানো হলেও বিএনপি কেবল ইতিবাচক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ ভোটারদের প্রতি তাঁর আহ্বান—”যাঁকে খুশি তাঁকে ভোট দিন, তবে সবাই অবশ্যই ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন।” এ সময় স্থানীয় দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।



















