বৃহস্পতিবার , ২ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

শিশু জন্মের পরই পাবে আইডি, মিলবে মৃত্যু পর্যন্ত সুবিধা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ২, ২০২৬ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

জন্মের পরপরই প্রতিটি শিশুর জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হবে একটি ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি ($Unified\ Digital\ ID$)। সেই একটিমাত্র আইডির মাধ্যমেই জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ভূমিসেবাসহ সব ধরনের সরকারি সেবা ও তথ্য এক প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। এর ফলে নাগরিকদের আর আলাদা আলাদা পরিচয়পত্র বা বিভিন্ন দপ্তরে বারবার একই তথ্য জমা দিতে হবে না। প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদের ভাবনায় ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’ উদ্যোগের আওতায় এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের কর্মকর্তারা। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জন্ম নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র ($NID$), পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য তথ্য, শিক্ষা, ভূমি সেবা, বিআরটিএ ($BRTA$)-সহ বিভিন্ন সরকারি ডাটাবেজকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আনা হবে।

ধারণাপত্র তৈরি ও শিশুর আইডি যেভাবে কাজ করবে

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পটি বর্তমানে ধারণাপত্র (কনসেপ্ট পেপার) পর্যায়ে রয়েছে এবং অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এর বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালে কোনো শিশুর জন্ম হলে তার তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে জন্ম নিবন্ধন ব্যবস্থায় যুক্ত হবে। পরবর্তীতে বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে নবজাতকের জন্য একটি স্থায়ী ডিজিটাল আইডি তৈরি করা হবে। তবে বাসায় জন্ম নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রেও আলাদা নিবন্ধনের ব্যবস্থা রাখা হবে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি স্মার্টফোনভিত্তিক ডিজিটাল ওয়ালেট তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে, যেখানে পরিচয়পত্র, প্রয়োজনীয় ডিজিটাল ক্রেডেনশিয়াল ও সরকারি নথি সংরক্ষিত থাকবে। এটি সরকারি বিভিন্ন সেবায় লগইন, পরিচয় যাচাই এবং প্রয়োজনে ফিজিক্যাল পরিচয়পত্রের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

তথ্য সুরক্ষা ও এস্তোনিয়া-সিঙ্গাপুরের মডেল অনুসরণ

সব তথ্য এক প্ল্যাটফর্মে থাকলেও নাগরিকের সম্মতি ($Consent$) ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত তথ্য অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শেয়ার করা হবে না বলে কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন এবং জাতীয় ডেটা গভর্নেন্স নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করেই পুরো ব্যবস্থাটি পরিচালিত হবে। বিশ্বব্যাংক সমর্থিত ‘ডি-স্টার’ ($D\text{-}STAR$ – ডিজিটাল সার্ভিস ট্রান্সফরমেশন ফর অ্যাক্সেস অ্যান্ড রিজিলিয়ান্স) প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এস্তোনিয়া ও সিঙ্গাপুরের সফল ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেন্টিটি মডেল পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী একটি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ জানিয়েছেন, আগামী মাস থেকেই দেশের প্রথম ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ($DPI$) প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হবে, যা বাস্তবায়িত হলে নাগরিকরা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্তভাবে সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান চীনের

এনসিপি-গণঅধিকার একীভূতকরণে অগ্রগতি

মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ বস্তু নিষ্ক্রিয়

একযোগে ৭ জেলায় সমাবেশ করবেন তারেক রহমান

পাঁচ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে মহাখালীর কড়াইল বস্তির আগুন

বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি

ইসলামী ব্যাংকের ফেসবুক পেজ হ্যাক, হুমকিমূলক বার্তা প্রকাশ

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়

রামিসা হত্যা মামলা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আইনমন্ত্রীর

ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব