প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করে মাঠ পর্যায়ে প্রতিরোধ ও দমনমূলক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনার কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
জেলা প্রশাসক সম্মেলনে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ
অধিবেশনে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া দিকনির্দেশনাগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন:
- দুর্নীতি দমন ও জিরো টলারেন্স: সরকারি প্রতিটি স্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
- প্রশাসনিক সংস্কার ও জনস্বার্থ: অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা সম্পূর্ণ পরিহার করে দ্রুত এবং জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।
- সততা ও মেধার মূল্যায়ন: সরকারি চাকরিতে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তদবির বা অনিয়ম প্রশ্রয় দেওয়া হবে না; সততা, মেধা ও দক্ষতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করতে হবে।
- ডিজিটাল রূপান্তর ও হয়রানিমুক্ত সেবা: নাগরিক সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করতে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি সেবা যেন কোনোভাবেই হয়রানিমুক্ত, বিলম্বমুক্ত ও স্বচ্ছ থাকে, সে বিষয়ে মাঠ প্রশাসনকে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।
- আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: যেকোনো ধরনের আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং



















