রবিবার , ৭ জুন ২০২৬ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী কর্মপরিকল্পনা আছে: মাহদী আমিন

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ৭, ২০২৬ ৯:১১ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে কেবল একটি ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে না রেখে একে জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সুনাগরিক তৈরির অন্যতম সূতিকাগারে রূপান্তর করাই সরকারের মূল লক্ষ্য. রোববার (৭ জুন) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এই মন্তব্য করেন. ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা’ বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান. ড. মাহদী আমিন উল্লেখ করেন যে, গত সাড়ে তিন মাসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, তার মূল ভিত্তি হলো প্রধানমন্ত্রীর একটি টেকসই ও যুগান্তকারী ভিশন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ইশতেহার.

উচ্চশিক্ষাকে কর্মমুখী করতে চলমান বহুমুখী উদ্যোগ

উচ্চশিক্ষাকে কেবল সনদনির্ভর না রেখে কর্মমুখী, দক্ষতাভিত্তিক ও জীবনঘনিষ্ঠ করার লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে:

  • কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার ব্যাপক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে.
  • ক্যারিয়ার ও জব প্লেসমেন্ট: শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সহজ করতে ক্যারিয়ার সেন্টার ও জব প্লেসমেন্ট কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে.
  • শিল্প-একাডেমিয়া মেলবন্ধন: শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের দূরত্ব কমাতে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কলাবোরেশন জোরদার এবং এপ্রেন্টিসশিপ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ বৃদ্ধি করা হচ্ছে.
  • ভাষা শিক্ষা ও সহশিক্ষা: ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার প্রতিষ্ঠা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষার প্রসারসহ ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচি ও ক্লাবভিত্তিক সহশিক্ষা কার্যক্রম যেমন— বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা ও সাহিত্যচর্চাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে.
  • পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ: পরিবেশ রক্ষায় ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ উদ্যোগ এবং জনকল্যাণমূলক কাজের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী খালের পুনর্খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে.

ব্যাপ্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব

ড. মাহদী আমিন জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি কোনো রাজধানীকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং শহর থেকে উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা নেটওয়ার্ক. বর্তমানে ৩০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ২ হাজার ২৮৫টি কলেজে অধ্যয়ন করছে, যার মধ্যে কেবল চলতি বছরেই ৪ লাখের বেশি ছাত্রী ভর্তি হয়েছে. প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করলেও তাদের একটি বড় অংশ কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল. তাই এই প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক পরিবর্তন মানে দেশের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করা এবং তৃণমূলের সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন সুদৃঢ় করা.

সেশনজট নিরসন ও বৈশ্বিক মানদণ্ডে পৌঁছানোর লক্ষ্য

দীর্ঘদিনের অবহেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান সরকার সেশনজট নিরসন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পরীক্ষা ও ফলাফল প্রক্রিয়ায় ডিজিটাইজেশনসহ বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে. ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রত্যন্ত অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল. ড. মাহদী আমিন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর কিংবা সিউল ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ টেনে বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কেও সেই বৈশ্বিক উচ্চতায় নিয়ে যেতে সরকার কাজ করছে, যাতে শিক্ষার্থীরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলার প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারে.

উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম আমানুল্লাহ.

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত