মাটির গুণগত মান বজায় রাখা এবং স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশব্যাপী পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান. শনিবার (৬ জুন) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এই নির্দেশনা দেন. সভায় জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়. এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী ৫ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জন্য সরকার একটি বিশাল কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, যা আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের ডুলহাজরায় প্রধানমন্ত্রী নিজেই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন.
মাটির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী গাছ নির্বাচনের নির্দেশ
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়. যে এলাকায় যে ধরনের মাটি ও পরিবেশ রয়েছে, সে অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে.’ তিনি উল্লেখ করেন যে, মাটির গুণগত মান ও পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে সঠিক গাছ লাগালে গাছের বেঁচে থাকার হার অনেক বাড়বে এবং তা পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে. প্রধানমন্ত্রী বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ঋতুচক্রের পরিবর্তন দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে. উদাহরণস্বরূপ, আগে জুন মাস এলেই দেশে যেভাবে নিয়মিত বৃষ্টিপাত হতো, এখন প্রকৃতির সেই চেনা চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে এবং এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো বনাঞ্চল ও গাছপালা কমে যাওয়া.
কর্মসূচির রূপরেখা ও সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
বৈঠকে আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের বিশাল এই কর্মসূচির কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়. প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন. এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:
- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার.
- পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার.
- পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান এবং অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক.
- প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী.
- ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি.



















