মঙ্গলবার , ২৬ মে ২০২৬ | ৩রা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানী ঢাকা, নেই যানজট

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মে ২৬, ২০২৬ ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা সাত দিনের দীর্ঘ ও নজিরবিহীন সরকারি ছুটিতে দেশের ব্যস্ততম মহানগরি রাজধানী ঢাকা এখন একবারে শান্ত ও ফাঁকা রূপ ধারণ করেছে। নাড়ির টানে এবং পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গত কয়েক দিনে লাখ লাখ মানুষ ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ায় মেগাসিটি ঢাকার চিরচেনা সেই শ্বাসরুদ্ধকর যানজট ও কোলাহল এখন আর কোথাও নেই। উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সরকারের নির্বাহী আদেশে এবার ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের এক দীর্ঘ সাধারণ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এই টানা ছুটির কারণে যাতে সরকারি কাজে দীর্ঘ স্থবিরতা না আসে, সেজন্য এক বিশেষ সমন্বয়ের অংশ হিসেবে গত ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে সমস্ত অফিস-আদালত খোলা রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ এই ছুটি শেষে আগামী ১ জুন (সোমবার) থেকে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম আবারও পুরোপুরি স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে দুপুরের দিকে রাজধানীর অন্যতম প্রবেশমুখ ও জনবহুল এলাকা মিরপুর, বনানী, খিলক্ষেত এবং মহাখালীসহ বিভিন্ন ভিআইপি সড়ক ও অলিগলি ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা এখন পুরোপুরি উৎসবের আমেজে ফাঁকা ও যানজটমুক্ত। সাধারণত বছরের অন্য দিনগুলোতে এসব সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ কিলোমিটারব্যাপী সারি, তীব্র হর্ন ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থবির যানজট দেখা গেলেও, আজ সড়কের অধিকাংশ এলাকাই ছিল সম্পূর্ণ ফাঁকা। কোথাও কোথাও অল্প কিছু ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং সীমিত সংখ্যক গণপরিবহন চলাচল করলেও কোনো সিগন্যালেই তাদের দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হচ্ছে না; ফলে চালক ও যাত্রী উভয়ের মাঝেই এক ধরনের স্বস্তি বিরাজ করছে।

তবে এই ফাঁকা ঢাকার ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে সড়কের গণপরিবহন ও লোকাল বাসের শ্রমিকদের অভিজ্ঞতায়। মিরপুর থেকে সায়েদাবাদ রুটে চলাচলকারী একাধিক বাসের চালক ও হেলপার জানান, ঈদের ছুটি পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হওয়ার পর থেকেই ঢাকার অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রী সংখ্যা ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। মানুষ দলে দলে ঢাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় এখন বাসের চাকা সচল রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক বাসের হেলপারকে দেখা গেছে দীর্ঘ সময় ধরে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে ডাক দিয়েও বাস ভর্তি করতে পারছেন না, ফলে খালি গাড়ি নিয়েই তাদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। অন্যদিকে, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও আজ এক অভূতপূর্ব স্বস্তির দৃশ্য লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন ব্যস্ত মোড়, সিগন্যাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের চিরচেনা মানসিক ও শারীরিক চাপ ছাড়াই বেশ ফুরফুরে মেজাজে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। সড়কে গাড়ির বাড়তি কোনো চাপ বা বিশৃঙ্খলা না থাকায় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল লাইট কিংবা হাতের স্বাভাবিক ইশারায় তাঁরা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন, যা ট্রাফিক বিভাগের জন্য এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক দিন হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ঢামেক মর্গে এখনও পড়ে আছে ৬ শহিদের লাশ

বাংলাদেশি যুবকের চোখে গুলি করল বিএসএফ

সালমান এফ রহমানের পুত্র ও ভাতিজার লন্ডনের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা

নামসর্বস্ব চালের বিক্রি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার, বাজার থেকে সরাতে তিন ধাপের উদ্যোগ

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ চেয়ে দুদকের আবেদন

দুর্গাপূজায় আজ থেকে চার দিনের ছুটি শুরু

মেট্রো রেল চলাচলের সময় বাড়ছে

পুলিশের পোশাক পরিবর্তন: পুনর্বিবেচনার দাবি

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার