মঙ্গলবার , ১৯ মে ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

কঙ্গোয় ইবোলার নতুন প্রাদুর্ভাবে অন্তত ১০০ জনের মৃত্যু

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মে ১৯, ২০২৬ ৫:০২ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) মহামারি ইবোলা ভাইরাসের নতুন প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১০০ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৩৯০ জন ছাড়িয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা করা হচ্ছে। আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি)-এর প্রধান জ্যাঁ কাসেয়া ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ভয়াবহ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে সৃষ্ট এই পরিস্থিতিকে ‘আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ডব্লিউএইচও সতর্ক করে বলেছে, দুর্গম এলাকা ও সীমিত পরীক্ষার কারণে বর্তমানে ল্যাবে যা শনাক্ত ও রিপোর্ট করা হচ্ছে, বাস্তবে এই প্রাদুর্ভাবের আকার তার চেয়ে অনেক বড় এবং এটি স্থানীয় ও আঞ্চলিকভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।

টিকা ও ওষুধহীন ‘বান্ডিবুগিও’ স্ট্রেইনের আতঙ্ক: আফ্রিকা সিডিসির প্রধান জ্যাঁ কাসেয়া অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে সতর্ক করেছেন যে, কঙ্গোয় এবার ছড়িয়ে পড়া ইবোলার সুনির্দিষ্ট স্ট্রেইনটি হলো অত্যন্ত দুর্লভ ও বিপজ্জনক ‘বান্ডিবুগিও’ ভাইরাস। যেহেতু এই সুনির্দিষ্ট স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানে কোনো অনুমোদিত প্রতিষেধক টিকা কিংবা কার্যকর ওষুধ নেই, তাই সংক্রমণ রোধে ইবোলায় আক্রান্তদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াসহ সকল সামাজিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে কঠোরভাবে জনস্বাস্থ্য বিধি ও কোয়ারেন্টাইন নীতি মেনে চলতে হবে। এদিকে মার্কিন সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) নিশ্চিত করেছে যে, কঙ্গো সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশ উগান্ডাতেও ইতিমধ্যে দুজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে, যা আঞ্চলিক সংক্রমণের ভীতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পশ্চিম আফ্রিকার সেই ১৪-১৬’র মহামারির কালো ছায়া: বর্তমান এই প্রাদুর্ভাব বিশ্ববাসীকে ২০১৪-২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার সেই রূঢ় ও প্রলয়ংকরী ইবোলা মহামারির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। সেই সময় আফ্রিকার গিনি ও সিয়েরা লিওন থেকে শুরু করে আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইতালিসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে ইবোলা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রলয়ংকরী ওই প্রাদুর্ভাবে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১১ হাজার ৩২৫ জন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, কঙ্গোর বর্তমান ঘনবসতিপূর্ণ খনি অঞ্চল এবং ইতুরি প্রদেশের চলমান অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাহীনতার কারণে যদি এখনই এই ভাইরাসের উৎসস্থল অবরুদ্ধ করা না যায়, তবে বিশ্বকে আবারও একটি বড় স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ