নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার (১১ মে) এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে জড়িত অসাধু সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। এই বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিবসহ ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়ার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এবং আইওএম (IOM) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের আলোচনায় ইতালির রাষ্ট্রদূত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, ২০২৬ সালের জুনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) আশ্রয় ও অভিবাসন বিষয়ে একটি নতুন বিধিমালা কার্যকর করতে যাচ্ছে। এই নতুন বিধিমালার ফলে অনিয়মিত বা অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়া আরও অনেক বেশি কঠোর হয়ে পড়বে। এই প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মীদের ভাষাগত জ্ঞান এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজ করার ওপর জোর দেন। তিনি মনে করেন, গন্তব্য দেশগুলোর নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে ‘কর্মসংস্থান-নিশ্চিত’ একটি টেকসই অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলাই হবে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্জিত মূলধন, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ধারণার আলোকে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কাজে লাগাতে হবে। এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়ে বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা একমত পোষণ করেন।



















