এনসিপি-র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে দাবি করেছেন যে, বর্তমানে মূলত এনসিপি-ই বিরোধী দলের প্রকৃত ভূমিকা পালন করছে। তাঁর মতে, জামায়াত এখন আলাদা কোনো বিরোধী দল নয়, বরং এনসিপি ও জামায়াত মিলেই একটি বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থান গড়ে তুলেছে যেখানে এনসিপিই মূলত নেতৃত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এবারের নির্বাচনে জামায়াতের ভোট ও আসন বাড়ার পেছনে এনসিপির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে এবং জামায়াতকে গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে দায়িত্বশীল শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে তারা কাজ করছেন। এমনকি ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেখানেও জামায়াত মূলত এনসিপির অবস্থান অনুসরণ করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সামান্তা শারমিনের এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির এক টকশোতে এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এ ধরনের বক্তব্য দলের জন্য ক্ষতিকর এবং এজন্য সামান্তাকে শোকজ করে বহিষ্কার করা উচিত। তিনি আরও অভিযোগ তোলেন যে, সামান্তা শারমিন কোনো বিশেষ এজেন্সির হয়ে কাজ করছেন এবং এনসিপির শক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দলটির অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দেন। এই পাল্টাপাল্টি মন্তব্যের ফলে এনসিপি ও জামায়াতের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক এবং সংসদের বিরোধী রাজনীতির সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।



















