শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের সব শিল্প কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস অবশ্যই ঈদের ছুটির আগে পরিশোধ করতে হবে। শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) বেইলি রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এই কড়া নির্দেশনা দেন।
সভার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও তথ্যসমূহ:
- সাংসদদের তদারকি: ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের কাছে পাঠানো হবে। সংসদ সদস্যরা সরাসরি মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা নেবেন।
- ব্যাংক লোন নিশ্চিতকরণ: ইউসিবিএল, ট্রাস্ট ও প্রিমিয়ার ব্যাংকসহ যেসব ব্যাংক ঋণ দিতে গড়িমসি করছে, তাদের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- বন্ধ কারখানা চালু: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন জানিয়েছেন, সরকার গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বন্ধ কারখানাগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
- বেতন-বোনাস পরিস্থিতি: বিজিএমইএ জানিয়েছে, ৯২ শতাংশের বেশি কারখানা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন এবং ৭২ শতাংশ কারখানা ঈদের বোনাস পরিশোধ করেছে। বিকেএমইএ-ও অধিকাংশ কারখানা বেতন-বোনাস দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে।
- পলাতক মালিকদের তালিকা: পলাতক মালিক ও তাঁদের প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
শ্রম সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার শ্রমিকদের বেতন-বোনাস সমস্যার স্থায়ী সমাধানে একটি আপদকালীন তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সভায় ঢাকা ও গাজীপুরের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য এবং বিজিএমইএ-বিকেএমইএ-এর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



















