চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এটি ২০২৬ সালের প্রথম সংসদীয় অধিবেশন এবং একইসাথে নতুন সরকারের অধীনে সংসদের প্রথম পথচলা।
সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট ও শুরু
সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এই অধিবেশন আহ্বান করেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন বসা বাধ্যতামূলক। দ্বাদশ সংসদ ভেঙে দেওয়ার দীর্ঘ ১৭ মাস পর আজ এই সংসদীয় কার্যক্রম শুরু হলো।
আজকের অধিবেশনের মূল আকর্ষণ
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন: অধিবেশনের শুরুতেই নতুন সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। রেওয়াজ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
- রাষ্ট্রপতির ভাষণ: অধিবেশনের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেবেন।
- সংসদ নেতার ভাষণ: প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান নতুন সংসদের সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখবেন।
- শোক প্রস্তাব: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে বিশেষ শোক প্রস্তাব উত্থাপন ও আলোচনা করা হবে।
সংসদীয় কার্যক্রমের বিশেষত্ব
আজকের অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার জন্য উত্থাপন করার কথা রয়েছে। এ ছাড়া, বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান এবং সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সংসদীয় রীতিনীতি বজায় রাখার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



















