এহছানুল হক মিলনের প্রত্যাবর্তন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে যাচ্ছেন চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি টেলিফোনে তাঁকে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ জানান। মিলন নিজেই সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ফোন পেয়েছেন। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ‘নকলমুক্ত পরীক্ষা’ নিশ্চিত করে দেশব্যাপী আলোচিত হওয়া এই নেতা এবারও বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।
মন্ত্রিসভার আকার ও শপথের আয়োজন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন মন্ত্রিসভার আকার হতে পারে প্রায় ৫০ থেকে ৫৪ সদস্যের। এর মধ্যে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২৪ জনের শপথ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শপথ নিতে যাওয়া সদস্যদের অনুষ্ঠানস্থলে আনা-নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ৪৯টি নতুন গাড়ি প্রস্তুত করে সংসদ ভবনের নির্ধারিত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও তাঁর মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
শপথ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আজ সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও বিএনপি থেকে নির্বাচিত সদস্যরা কেবল ‘এমপি’ হিসেবেই শপথ নিয়েছেন। তাঁরা ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় দফার শপথে অংশ নেননি। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা সংসদ সদস্য ও সংস্কার পরিষদ—উভয় ক্ষেত্রেই শপথ গ্রহণ করেছেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শপথ বর্জনের জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দ্রুতগতিতে দপ্তর বণ্টনের কাজ গুছিয়ে নিচ্ছে। শপথের পরপরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টনসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।
এক নজরে নতুন মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য চিত্র:
- প্রধানমন্ত্রী: তারেক রহমান।
- সম্ভাব্য সদস্য সংখ্যা: ৫০-৫৪ জন।
- গাড়ি বরাদ্দ: ৪৯টি (মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য)।
- শপথের স্থান: সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা (বিকেল ৪:০০টা)।



















