রবিবার , ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

তারেক রহমানের শপথে যোগ দিতে আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ ১২:৪৪ অপরাহ্ণ

Spread the love

ভারতের প্রতিনিধিত্ব ও কূটনৈতিক বার্তা বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) ঢাকা আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার শ্রী ওম বিড়লা। আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MEA) এক বিবৃতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওই সময়ে ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকে ব্যস্ত থাকায় তাঁর পরিবর্তে লোকসভার স্পিকার এবং পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবেন। ভারতের পক্ষ থেকে এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্তকে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সঙ্গে নয়াদিল্লির ভবিষ্যৎ সুসম্পর্কের একটি শক্তিশালী সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিবৃতিতে ভারতের উষ্ণ অভিনন্দন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লোকসভার স্পিকারের এই অংশগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতীক। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়:

“ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার দ্বারা ঐক্যবদ্ধ প্রতিবেশী হিসেবে, ভারত তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নির্বাচিত সরকারে বাংলাদেশের উত্তরণকে স্বাগত জানায়; যার দৃষ্টিভঙ্গি এবং মূল্যবোধ জনগণের বিপুল সমর্থন পেয়েছে।” ভারত পুনরায় তার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রতি অবিচল অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মোদীর অভিনন্দন বার্তার পর ওম বিড়লার এই সফর দুই দেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক ‘আস্থার ঘাটতি’ কাটিয়ে নতুন সহযোগিতার পথ প্রশস্ত করবে।

শপথের মহাপ্রস্তুতি ও বিদেশি মেহমান আগামী মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিতব্য এই রাজকীয় শপথ অনুষ্ঠানে ওম বিড়লা ছাড়াও সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের সমাগম ঘটবে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তবগে, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইশাক দার এবং মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইতিমধ্যেই ১৩টি দেশের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন। নতুন সরকারের এই অভিষেক অনুষ্ঠান মূলত একটি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উৎসবে রূপ নিতে যাচ্ছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত