সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ ভিসা ইস্যু করার প্রক্রিয়া আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। হাজিদের সেবা নিশ্চিত করতে এবং শেষ মুহূর্তের চাপ কমাতে এবার প্রায় চার মাস আগেই ভিসা কার্যক্রম শুরু করার এই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। ইতোমধ্যে মক্কার আবাসন এবং পবিত্র স্থানগুলোর সেবাসংক্রান্ত শতভাগ চুক্তি ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা: বাংলাদেশ ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিবন্ধিত সকল হজযাত্রীকে (সরকারি ও বেসরকারি) অবশ্যই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে। সৌদি নির্দেশনা অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়ার প্রধান শর্তগুলো হলো:
- ফিটনেস সনদ: সরকারি হাসপাতাল বা নির্ধারিত মেডিকেল কলেজ থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে। সনদ ছাড়া কোনোভাবেই ভিসা ইস্যু করা হবে না।
- বাধ্যতামূলক পরীক্ষা: Urine R/M/E, Random Blood Sugar (R.B.S), Chest X-ray, ECG, Serum Creatinine এবং CBC-এর মতো পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করতে হবে।
- টিকা: মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ নির্ধারিত টিকা নিয়ে স্বাস্থ্য প্রোফাইল আপডেট করতে হবে।
- বায়োমেট্রিক: ভিসার আবেদনের আগে হজযাত্রীদের বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।
২০২৬ হজের সম্ভাব্য সময়সূচি: চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। হজযাত্রীদের নিয়ে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে প্রথম ফ্লাইটটি ১৮ এপ্রিল রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। বাংলাদেশের হজযাত্রীদের সুবিধার্থে ‘হজ কল সেন্টার (১৬১৩৬)’ এবং ‘লাব্বাইক’ মোবাইল অ্যাপ সার্বক্ষণিক তথ্য সেবা প্রদান করছে।
সূত্র: গালফ নিউজ



















