১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়োজিত বিমান বাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ঢাকা সেনানিবাসের বিএএফ ঘাঁটি বাশারে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এই দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
বিমান বাহিনীর প্রস্তুতির মূল দিকসমূহ:
- সদস্য মোতায়েন: ‘In Aid to Civil Power’-এর আওতায় বিমান বাহিনীর মোট ৩,৭৩০ জন সদস্য নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ১,২৫০ জন সদস্য ৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১১ দিনের জন্য মাঠ পর্যায়ে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন থাকবেন।
- যৌথ টহল: বিমান বাহিনীর সদস্যরা সেনাবাহিনীর সাথে যৌথভাবে দেশের ২১টি জেলার ৩৫টি উপজেলায় নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
- আকাশপথের নজরদারি: নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সরাসরি সহায়তার জন্য বিমান বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার, পরিবহন বিমান এবং ইউএভি (UAV) বা ড্রোন সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
- পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা: বিমান বাহিনী প্রধান সদস্যদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বাহিনীর সদস্যরা তাদের অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালনের মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেবে।
অনুষ্ঠানে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধানগণসহ সদর দপ্তর ও বিভিন্ন ঘাঁটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



















