রবিবার , ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

খালেদা জিয়ার মৃত্যু কি স্বাভাবিক নাকি ‘মেডিক্যাল স্লো পয়জনিং’?

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জানুয়ারি ১৮, ২০২৬ ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর তাঁর মৃত্যু নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক দাবি তুলেছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি, ২০২৬) সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক নাগরিক শোকসভায় তিনি অভিযোগ করেন, বেগম জিয়াকে পরিকল্পিতভাবে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধের ভুল প্রয়োগের মাধ্যমে ‘স্লো পয়জনিং’ করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। ডা. সিদ্দিকীর মতে, খালেদা জিয়াকে দীর্ঘমেয়াদে ‘মেথোট্রেক্সেট’ নামক একটি শক্তিশালী ইমিউনোসাপ্রেস্যান্ট ওষুধ দেওয়া হচ্ছিল, যা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের জন্য ব্যবহৃত হলেও লিভারের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর (হেপাটোটক্সিক)। বেগম জিয়া আগে থেকেই ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত ছিলেন, অথচ সরকারি চিকিৎসকরা তাঁর লিভার ফাংশন টেস্টের রিপোর্ট খারাপ আসা সত্ত্বেও এই ওষুধ বন্ধ করেননি এবং কোনো আল্ট্রাসনোগ্রাম করারও নির্দেশ দেননি। এই অবহেলার কারণেই তাঁর লিভার দ্রুত সিরোসিসে রূপান্তরিত হয়, যা শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

চিকিৎসক দলের এই গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ডা. সিদ্দিকী দাবি করেছেন, ২০২১ সালে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা যখন প্রথমবার লিভার সিরোসিস শনাক্ত করেন, তখন দেখা যায় বিএসএমএমইউ-এর সরকারি মেডিক্যাল বোর্ড এই ভয়াবহ তথ্য গোপন করেছিল। বিএনপি এবং খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে ২৭ বার আবেদন জানানো হলেও তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিবারই তা প্রত্যাখ্যান করে। এ ঘটনাকে ‘উইলফুল নেগলিজেন্স’ বা ইচ্ছাকৃত অবহেলা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলটির শীর্ষ নেতারা এখন এই ঘটনার একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছেন। তাঁরা মনে করছেন, এটি কেবল চিকিৎসার ভুল নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে একজন জাতীয় নেত্রীকে শারীরিকভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত নীল নকশা। বর্তমানে তৎকালীন সরকারি মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং তাঁদের চিকিৎসার নথিপত্র জব্দের দাবি জোরালো হচ্ছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাংলাদেশ মিশনের নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতীয় হাইকমিশনার তলব

ইরানে হামলা হবে ‘আগুন নিয়ে খেলা’: যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

প্রতারণা মামলায় ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত শেরেবাংলা নগরের ‘জুলাই জাদুঘর’

২২ বছর পর আবারও ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু

গুলশান আজাদ মসজিদে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া, শরিক হলেন তারেক রহমান

হজযাত্রীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা উপহার

৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন: জাবের

আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই : জামায়াত আমির