ইরানের বিভিন্ন শহরে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত ৪৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মানবাধিকার সংস্থা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার রাতের পর ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা জানা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তেহরানের কাছে ফারদিস এলাকায় একটি ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে সাতটি মরদেহ থাকার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা যাচাই করা যায়নি। লোরেস্তান প্রদেশের কুহদাশ্ত ও আজনা শহরে নিহত বিক্ষোভকারীদের মরদেহ নিয়ে সরকারি পক্ষের সঙ্গে পরিবারের মতবিরোধের খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘নাশকতাকারী’ আখ্যা দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনীও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে বিক্ষোভ দমন অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো সতর্ক করে দিয়েছে, ইন্টারনেট পুরোপুরি চালু হলে আরও অনেক অজানা মৃত্যুর তথ্য সামনে আসতে পারে।
সোর্স: ইরান ইন্টারন্যাশনাল



















