বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে দেড় কোটি টাকার বেশি সম্পদ রয়েছে এবং তার বার্ষিক আয় প্রায় ১২ লাখ টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের নামে আড়াই কোটিরও বেশি সম্পদ এবং বছরে আয় সাড়ে ১২ লাখ টাকা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করছেন। তার বর্তমান ঠিকানা গুলশান-২ এবং স্থায়ী ঠিকানা ঠাকুরগাঁও সদরের কালিবাড়ী মহল্লা। ১৯৪৮ সালের ১ আগস্ট জন্মগ্রহণকারী এই রাজনীতিক এমএ পাস। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী ও পরামর্শক।
তার আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে কৃষিখাত, ব্যবসা, পরামর্শক ফি, চাকরি ও ব্যাংক মুনাফা। কৃষিখাত থেকে বছরে আয় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা, ইজাব গ্রুপের পরামর্শক হিসেবে ৬ লাখ টাকা, চাকরি থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা এবং ব্যাংক মুনাফা থেকে ৭ হাজার টাকার বেশি আয় করেন তিনি।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার হাতে নগদ রয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি এবং ব্যাংকে জমা আছে প্রায় ৪ লাখ টাকা। এছাড়া শেয়ার, আসবাব, ইলেকট্রনিক পণ্য, একটি গাড়ি ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। তার নামে ৫ একর কৃষিজমি রয়েছে।
স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের নামে নগদ অর্থ, ব্যাংক জমা, সঞ্চয়পত্র, মেয়াদি আমানত, একটি গাড়ি, ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও কৃষিজমি রয়েছে। গুলশান-২ এলাকায় তার নামে একটি বাসাও রয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৯টি মামলা স্থগিত রয়েছে এবং অতীতে ৫৬টি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন। তার কোনো ঋণ বা দায়দেনা নেই।
আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি এবং তিনি আয়কর দিয়েছেন ৭২ হাজার টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বেশি এবং তিনি আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি।
এদিকে ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন যাচাই, আপিল, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্তকরণ ও প্রচারণার পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।



















