শনিবার , ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৬ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

‘একদল করে যায়, আরেক দল সামলায়’— মন্তব্য জামায়াত আমিরের

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ডিসেম্বর ৬, ২০২৫ ৩:৪৪ অপরাহ্ণ

Spread the love

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫৪ বছর পরও মানুষ সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। বর্গিরা চলে গেলেও দেশের ভেতরে থাকা ‘চিলেরা’ জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। কেউ পালিয়ে খাল–বিলের ধারে আশ্রয় নিয়েছে, কেউ আবার বেগমপাড়া গড়েছে। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্টরা পালালেও ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া বাংলাদেশ থেকে এখনো সরেনি।

শনিবার বিকেলে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ইসলামী ও সমমনা ৮ দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি। জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডসহ পাঁচ দফা দাবিতে এই সমাবেশ আহ্বান করা হয়।

জামায়াত আমির অভিযোগ করে বলেন, একদল লুটপাট ও চাঁদাবাজির দায় নিয়ে ক্ষমতা ছেড়েছে, আরেক দল সেই একই পথে আরও শক্তভাবে এগোচ্ছে। একদিকে দখলদারিত্ব, অন্যদিকে আলেম–ওলামাদের ওপর নির্যাতন—দুই পক্ষই জনগণের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। পুরনো অপকর্মের ধারাবাহিকতা এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ত্যাগ-তিতিক্ষা ও রক্তদানের পরও রাজনীতিবিদরা অতীতের শিক্ষা নেয়নি। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বানেও তারা সাড়া দেয়নি। গণভোটেও প্রথমে অস্বীকৃতি জানালেও পরে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট দিতে সরকারকে বাধ্য করেছে।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা এতদিন নির্বাচন নিয়ে সরব ছিলেন তারা এখন ভিন্ন সুরে কথা বলছেন। কারণ জনগণ তাদের অপকর্মের বিচার করার জন্য প্রস্তুত। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেউ নির্বাচনে ‘প্রশাসনিক ক্যু’-এর চিন্তা করলে তা সফল হবে না। যে সূর্য অস্ত গেছে, তা আর উদিত হবে না; দেশে আর কোনোদিন কালো সূর্য উঠবে না। আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ লুটেরাদের হাত থেকে দেশপ্রেমিক জনগণের হাতে যাবে বলেও দাবি করেন তিনি।

সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেবল প্রতীকের নির্বাচন নয়, এটি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটেরও নির্বাচন। তাই ঘরে ঘরে গিয়ে দলীয় প্রতীক ও ‘হ্যাঁ’ ব্যালটে ভোটের আহ্বান জানাতে হবে। তিনি বলেন, জুলাই সনদকে কেন্দ্র করে দেশ এখন দুই শিবিরে বিভক্ত—একটি পক্ষ রাষ্ট্রীয় সংস্কারে বাধা দিচ্ছে, যাতে লুটপাটের পুরনো ধারা বজায় থাকে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেন, ৫৩ বছর যারা দেশকে জিম্মি করে রেখেছিল, তাদের অপকর্ম জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়েছে। গুম–খুনের বিচার, সম্পদ পাচারের বিচার ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার না করেই নির্বাচন করতে চাওয়ায় জনগণ ক্ষুব্ধ। তিনি অভিযোগ করেন, দৃশ্যমান বিচার ও সংস্কার ঠেকাতে এখন একটি পক্ষ নির্বাচন পেছাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা সারওয়ার কামাল আজিজি, খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান এবং বিডিপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত