রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। টানা এক সপ্তাহ ধরে তিনি সিসিইউতে আছেন। মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, তাঁর অবস্থা অপরিবর্তিত থাকায় আপাতত বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, কাতার, সৌদি আরব, পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বিত দল কাজ করছে। যুক্তরাজ্যের চিকিৎসক অধ্যাপক রিচার্ড বেলে ঢাকায় এসে চিকিৎসা কার্যক্রমে যোগ দিয়েছেন। চীন থেকেও চারজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ঢাকায় পৌঁছেছেন।
প্রতিদিন রাতে অন্তত দেড় ডজন দেশি-বিদেশি চিকিৎসকের সঙ্গে বৈঠক করে মেডিকেল বোর্ড। লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞসহ তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানও ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। টেস্ট রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত চিকিৎসায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
এদিকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানতে গতকাল সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালে যান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি চিকিৎসকদের ব্রিফিং শোনেন এবং পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান। সরকারের পক্ষ থেকেও সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
এসএসএফ প্রটোকলের অংশ হিসেবে আজ এভারকেয়ার হাসপাতালসংলগ্ন মাঠে সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারের পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড্ডয়ন মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। এসময় পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বিএনপি নেতাকর্মীরা দেশব্যাপী খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দোয়া কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে—তাঁর বর্তমান অসুস্থতার জন্য ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার দায়ী।



















