দিল্লির লাল কেল্লার কাছে ১০ নভেম্বর সংঘটিত গাড়ি বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রথম ব্যক্তিকে ১৬ নভেম্বর গ্রেপ্তার করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। অভিযুক্তের নাম আমির রশিদ আলি, যিনি কাশ্মীরের পাম্পোরের সাম্বুরা গ্রামের বাসিন্দা। এনআইএ জানিয়েছে, তিনি আত্মঘাতী হামলাকারী ডা. উমর উনের সহযোগী ছিলেন এবং বিস্ফোরণের ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন।
বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর উমর উনের বাড়ি ভেঙে দেয়া হয় এবং নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় বিস্ফোরণ চালায়। উমর উনের পরিবার জানিয়েছে, তিনি দুই বছর আগে কাশ্মীর ত্যাগ করে ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করতেন। তার বাড়ি ছাড়া অন্য সম্পত্তি নেই।
আমির রশিদ আলির পরিবার জানিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন প্লাম্বার হিসেবে কাজ করতেন এবং তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি। পরিবারের সদস্যরা তাকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং ন্যায়বিচার চেয়েছেন।
এনআইএ জানিয়েছে, এই মামলায় প্রমাণ হিসেবে বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়ি পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং এ পর্যন্ত ৭৩ জন সাক্ষীর বক্তব্য নথিভুক্ত হয়েছে।
এছাড়া, ১৭ নভেম্বর শ্রীনগর থেকে আরেক অভিযুক্ত জাসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ড্রোন ও রকেট তৈরির মাধ্যমে হামলার প্রস্তুতি ও উমর উনের সঙ্গে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর থেকে চিকিৎসক আদিলকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার জেরে নিরাপত্তা তদন্ত তৎপর এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনআইএ আদালত ও পুলিশ নিয়ে আসছে।


















