সিলেট সদর উপজেলায় লুট হওয়া সাদাপাথর উদ্ধারে অভিযান জোরদার করেছে প্রশাসন। নানা কৌশলে লুকিয়ে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত উদ্ধার হচ্ছে পাথরের ভাণ্ডার। সর্বশেষ ধোপাগুল ও লালবাগ এলাকার পাঁচটি পুকুর থেকে প্রায় দেড় লাখ ঘনফুট সাদাপাথর উদ্ধার করেছে প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোশনূর রুবাইয়াৎ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে এসব পাথর উদ্ধার করা হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সরকার মামুনুর রশিদ জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে প্রশাসন পুকুরগুলোতে অভিযান চালায়। এস্কেভেটরের সাহায্যে পুকুর থেকে পাথর তোলা হয়।
হাইকোর্টে খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের পক্ষে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাথর লুটের ঘটনায় ১৫০০ থেকে ২০০০ জন জড়িত। ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর কোয়ারি থেকে ৫ আগস্ট থেকে ব্যাপক লুটপাট চলে। এ ঘটনায় গত ১৫ আগস্ট কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়।
আদালতের নির্দেশে লুট হওয়া পাথর উদ্ধারে এবং পরিবেশগত ক্ষতি নিরসনে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুয়েটের একজন অধ্যাপককেও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গণমাধ্যমে পাথর লুটের খবর প্রকাশের পর পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ জনস্বার্থে রিট করলে হাইকোর্ট প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।



















