আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিন্দুধর্মাবলম্বী জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন এবং এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, “ধর্ম যার যার, কিন্তু নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। আগামী নির্বাচন একটি নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বড় সুযোগ। সারা দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে বিএনপি সমর্থন ও সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে।”
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ এক দশক জনগণ স্বৈরাচারী শাসনের দুঃশাসন সহ্য করেছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হয়েছে। এখন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতি প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ব্যবস্থা এখনও উপযোগী নয়, কারণ এতে ভোটাররা সরাসরি জানবেন না কাকে তারা সংসদে পাঠাচ্ছেন। তাই জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
তারেক রহমান ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা বা হয়রানির ঘটনা রাজনৈতিক অসৎ উদ্দেশ্যেই ঘটে থাকে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”



















