মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমাতে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার সঙ্গে সীমিত পরিসরে বেসরকারি বাণিজ্য পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল।
মঙ্গলবার এই ঘোষণা দেয় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ফিলিস্তিনি অঞ্চলের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা সংস্থা ‘সিওজিএটি’।
জেরুজালেম থেকে সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, সিওজিএটি জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণের ভিত্তিতে কয়েকজন স্থানীয় ফিলিস্তিনি ব্যবসায়ীকে পণ্য আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়াটি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সংস্থার পর্যবেক্ষণে হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গাজায় চলমান ২২ মাসব্যাপী সশস্ত্র সংঘাত এবং গত মার্চ থেকে আরোপিত সম্পূর্ণ অবরোধের মধ্যে এ পদক্ষেপ কিছুটা পরিবর্তন এনে দিয়েছে। মে মাসে, একটি মার্কিন-সমর্থিত এনজিওর খাদ্য সরবরাহ কেন্দ্র খোলার পর থেকেই অবরোধে সামান্য শিথিলতা দেখা দেয়।
জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা গাজায় দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করার পর আরব রাষ্ট্র ও ইউরোপীয় সামরিক বাহিনী বিমান ও অন্যান্য মাধ্যমে ত্রাণ সরবরাহ শুরু করে।
সিওজিএটি জানিয়েছে, হামাস যেন এই বাণিজ্যিক চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সুবিধা না পায়, সেজন্য কড়া নজরদারির আওতায় রাখা হবে বাণিজ্যিক লেনদেন। প্রতিটি অর্থ স্থানান্তরের উৎস যাচাই করে দেখবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
নতুনভাবে অনুমোদিত আমদানি পণ্যের তালিকায় রয়েছে—তাজা ফল, সবজি, শিশু খাদ্য ও জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম।



















