আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়েছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। সারাদেশে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৮.৪৫ শতাংশ, যা গত বছরের ৮৩.০৩ শতাংশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে, মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবীর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, এ বছর মোট ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ছাত্রী ছিল ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্র ৯ লাখ ৬১ হাজার ২৩১ জন।
সারা দেশের ৩ হাজার ৭১৫টি কেন্দ্রে গত ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাত্র দুই মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হয়েছে, যা বাস্তব মূল্যায়ন নীতির ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নতুন এই মূল্যায়ন পদ্ধতি পাসের হার কমে যাওয়ার একটি কারণ হতে পারে।
গত বছর পাসের হার বেশি থাকলেও (৮৩.০৩ শতাংশ) এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ১২৯ জন। এ বছরের ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয় ক্ষেত্রেই গত বছরের তুলনায় হ্রাস দেখা যাচ্ছে। শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা এখন এই নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির প্রভাব নিয়ে আলোচনা করছেন।



















