সোমবার , ২ জুন ২০২৫ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

কালোটাকা সাদা করার সুযোগ: টিআইবি’র তীব্র নিন্দা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২, ২০২৫ ৩:০৮ অপরাহ্ণ

Spread the love

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান আজ সোমবার (২ জুন, ২০২৫) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি সরকারের এই পদক্ষেপকে অনৈতিক, বৈষম্যমূলক এবং সংবিধান পরিপন্থী বলে আখ্যায়িত করেছেন।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “সরকারের এমন সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে রাষ্ট্রসংস্কার, বিশেষ করে দুর্নীতিবিরোধী সংস্কারের মূল উদ্দেশ্যকে রীতিমতো উপেক্ষা করেছে তারা।” তিনি মনে করেন, এটি দুর্নীতিকে উৎসাহিত করার শামিল এবং সরকার রিয়েল এস্টেট লবির ক্ষমতার কাছে কার্যত আত্মসমর্পণ করেছে।

সংবিধান লঙ্ঘন ও বৈষম্যের অভিযোগ: টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক জোর দিয়ে বলেন, করহার যাই হোক না কেন, কালোটাকা সাদা করার সুযোগ সংবিধানের ২০(২) অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, যেখানে অনুপার্জিত আয়কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই সুযোগ একই সাথে বৈষম্যমূলক। এর ফলে আবাসন খাতে অবৈধ অর্থের মালিকদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে, যা সৎ উপার্জনকারীদের ফ্ল্যাট বা ভবনের অংশীদার হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করবে। তিনি আবাসন খাতকে দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করেন।

দুর্নীতি উৎসাহিত হওয়ার আশঙ্কা: ইফতেখারুজ্জামান আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকার কার্যত নাগরিকদের বছরজুড়ে অবৈধ ও অপ্রদর্শিত অর্থ-সম্পদ অর্জনের জন্য উৎসাহিত করছে এবং বছর শেষে কালোটাকাকে বৈধতা দেওয়ার অঙ্গীকার করছে।

টিআইবি’র দাবি ও প্রত্যাশা: বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি অবিলম্বে কালোটাকা সাদা করার ‘দুর্নীতিবান্ধব সুযোগ’ বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছে। এর পাশাপাশি, কালোটাকার উৎস অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং করব্যবস্থায় সমতা ও ন্যায় নিশ্চিতের দাবিও জানানো হয়েছে।

টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বাজেটে তাঁদের প্রত্যাশা ছিল, দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের অগ্রগতির বিষয়ে একটি স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হবে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, অর্থ উপদেষ্টা এ ব্যাপারে একটিমাত্র বাক্য ব্যবহার করেই দায় সেরেছেন। একই সাথে, যারা অর্থ-সম্পদ পাচার করে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেছেন, তাদের অর্থ-সম্পদের ওপর কর ও জরিমানা আরোপের বিধান থাকলেও, তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া পরিষ্কার করা হয়নি।

রাজস্ব আদায় বাড়াতে এর ব্যবস্থাপনা থেকে নীতিকে আলাদা করা এবং এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের কৌশলগুলো বাজেট বক্তৃতায় উঠে না আসাটাও হতাশার বলে ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেছেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত