ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘জুলাই গণহত্যা’ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন দল। এর মধ্য দিয়ে জুলাই গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো।
রোববার দুপুর ১২টার পর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ জমা দেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে এই বিষয়ে শুনানি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
শেখ হাসিনা ছাড়াও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুন এই মামলার অন্য দুই আসামি।
জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে সারা দেশে সংঘটিত গণহত্যার প্রধান নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গত ১২ মে তদন্ত সংস্থা ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনের বিরুদ্ধেও পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, “আমরা বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ডিসেম্বরের মধ্যে জুলাই-আগস্টের হত্যাযজ্ঞের বিচার দৃশ্যমান হবে। এই সময়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাবে। বিচার এমনভাবে করা হবে যাতে কেউ এর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে।”
তিনি শেখ হাসিনাকে ‘গুম ও আয়নাঘরের নিউক্লিয়াস’ হিসেবে উল্লেখ করে আরও বলেন, “বিচারের কাজ পুরোদমে এগোচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ করতে যুক্তিসংগত সময় লাগবে।”
সপ্তাহ দেড়েক আগে এক সংবাদ সম্মেলনে তাজুল ইসলাম জানান, জুলাইয়ে সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ‘উসকানিদাতা’ হিসেবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এক নম্বর অভিযোগ আনা হয়েছে।



















