সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংসদের মধ্য দিয়েই করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “সংসদের বাইরে থেকে সংবিধান সংশোধনের কোনো সাংবিধানিক বা গণতান্ত্রিক ভিত্তি নেই।”
শনিবার দুপুরে রাজধানীর নীলক্ষেতে আইসিএমএবি মিলনায়তনে, বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, “সংবিধানে কোনো সংশোধন আনতে হলে তা হতে হবে নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমেই। এ জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে জনগণের কাছ থেকে ম্যান্ডেট নিতে হবে। সংসদের বাইরে গিয়ে এমন কিছু করা হলে তা গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হবে।”
তিনি আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক পরিবর্তন আনতে চাইলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। কেউ যদি এই প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে আগামীর নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।”
রাজনীতিতে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা যতই আইনি বা কাঠামোগত সংস্কার করি না কেন, যদি রাজনৈতিক সংস্কৃতি না পাল্টাই, তাহলে কোনো পরিবর্তনই স্থায়ী হবে না। মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে তা সহনশীলভাবে মেনে নিলে তবেই জাতি এগোবে।”
ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, “অনেকে বলছেন ৫ আগস্টের পর গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যে ফাটল ধরেছে, কিন্তু আমি তা দেখি না। মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে বড় লক্ষ্যে আমরা একমত। যেসব বিষয়ে একমত হবো, তা নিয়েই আমরা জনগণের সামনে যাব, এবং তাদের রায় নিয়ে সংসদে বাস্তবায়ন করবো।”



















