বৃহস্পতিবার , ৪ জুন ২০২৬ | ২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

রামিসা হত্যা: যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ ঘোষণা হতে পারে আজ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ৪, ২০২৬ ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুল শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর বর্বরোচিত হত্যা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষ আদালতে তাদের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে. ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন-এর আদালতে এই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে এবং এটি শেষ হওয়ার পর আদালত আজই বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন বলে মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন. এর আগে গতকাল বুধবার (৩ জুন) প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা বা আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি সম্পন্ন করা হয় এবং পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন.

অত্যন্ত সংবেদনশীল এই মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম নজিরবিহীন দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে. গত ১৯ মে পল্লবীর সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়. ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানা ঘরের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে পুলিশ তাঁর স্ত্রী স্বপ্নাকে ঘটনাস্থল থেকে হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়. গত ২১ মে আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা. এরপর মাত্র কয়েকদিনের মাথায় গত ২৫ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট বা অভিযোগপত্র দাখিল করেন, যেখানে সোহেল রানার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও হত্যা এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়.

অভিযোগপত্র দাখিলের পর গত ১ জুন ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন. এর ঠিক পরদিন, ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষের তালিকাভুক্ত সাক্ষীদের মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ মাত্র একদিনের মধ্যেই সম্পন্ন করা হয়. নিহত শিশু রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো এবং তার বাবা পরিবার নিয়ে ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন. একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটে সস্ত্রীক বসবাস করতো ঘাতক সোহেল রানা. আজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আইনি লড়াইয়ের মূল ধাপগুলো শেষ হতে যাচ্ছে, যার পর পুরো দেশ এখন আদালতের চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে.

সর্বশেষ - অপরাধ