কৃষিখাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে ডিজিটাল ‘ফার্মার্স কার্ড বা কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি বলেন, কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি এবং কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সার, বীজ, কীটনাশক এবং সরকারি আর্থিক প্রণোদনা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরাসরি ভোগ করতে পারবেন।
কৃষক কার্ডের প্রধান সুবিধাসমূহ:
- সরাসরি প্রণোদনা: সরকারি ভর্তুকি, সার ও বীজের সহায়তা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে।
- আর্থিক সেবা: এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষি ঋণ গ্রহণ, সেচ সুবিধা এবং ফসল বিমার সুবিধা পাওয়া সহজ হবে।
- দুর্যোগ মোকাবিলা: প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও দ্রুততর হবে।
- নির্ভুল ডেটাবেজ: প্রকৃত কৃষকদের নিয়ে একটি ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে, যাতে কেবল যোগ্যরাই সরকারি সুবিধা পান।
সভায় প্রধানমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করে কৃষকদের হাতে এই স্মার্ট কার্ড তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং খুব শিগগিরই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কার্ড বিতরণ শুরু হবে। কৃষিখাত সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।



















