জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানায় শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে এক আবেগঘন মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিলে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির সেই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ও সুদূরপ্রসারী অপপ্রয়াস। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে শহীদ পরিবারগুলো যে বিচারহীনতার যন্ত্রণা ভোগ করেছে, তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দেন যে, পিলখানার এই ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা এবং এর স্মৃতি অম্লান রাখা বর্তমান সরকারের জাতীয় দায়িত্ব। তিনি স্পষ্ট জানান, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর যে দুর্বলতা ফুটে উঠেছিল, তা দূর করে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণার সময় থেকেই সেনাবাহিনী ও তৎকালীন ইপিআরের সদস্যরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমানই সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আধুনিক ব্যাটালিয়নে রূপান্তর ও পুনর্গঠিত করেছিলেন। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বর্তমান নির্বাচিত সরকার সীমান্ত বাহিনীকে আরও সুসংহত ও চৌকস করে গড়ে তুলবে। তিনি শহীদ পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের জন্য স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।



















