মঙ্গলবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ওয়াশিংটন থেকে আনুষ্ঠানিক বার্তার অপেক্ষা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ২:২৫ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের একটি সাম্প্রতিক রায়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ‘পাল্টা শুল্ক’ (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) কাঠামো অবৈধ ঘোষিত হওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যদিও আদালত প্রেসিডেন্টের একতরফা শুল্ক আরোপের ক্ষমতাকে সীমিত করেছে, তবুও ট্রাম্প সব দেশের জন্য সমহারে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের নতুন ঘোষণা দিয়েছেন। এই দুই বিপরীতমুখী সিদ্ধান্তের ফলে ঢাকা এখন ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে। বাণিজ্য সচিব মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, গত আগস্টে আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক এখনো বহাল আছে এবং প্রস্তাবিত ১৯ শতাংশ শুল্কহার কার্যকর হওয়ার আগেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। ফলে আগের চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীরা এই চুক্তি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সিপিডির সম্মানীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, যেহেতু পাল্টা শুল্ক কাঠামোই বাতিল হয়ে গেছে, তাই তড়িঘড়ি করে করা এই চুক্তির ভিত্তি আর থাকছে না। তিনি মনে করেন, নির্বাচনের ঠিক আগে করা এই চুক্তিটি নিয়ে নতুন করে কৌশলগত আলোচনার সুযোগ ছিল। অন্যদিকে, নিটওয়্যার ব্যবসায়ীদের নেতা ফজলে শামীম এহসান অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে করা এই চুক্তির সমালোচনা করে বলেন, চুক্তিটি সই না হলে বাংলাদেশের দরকষাকষির সুযোগ আরও বেশি থাকত। এখন ১৫ শতাংশ সমহারে শুল্ক কার্যকর হলে বাংলাদেশ বিশেষ কোনো বাড়তি সুবিধা পাবে না, যা রপ্তানি প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী বিদ্যমান শুল্ক আরও ১৫০ দিন পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে, যা বাংলাদেশকে নতুন করে আলোচনার জন্য কিছুটা সময় দেবে। রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্ট্রিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র‍্যাপিড) চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক মনে করেন, এই ধরনের চুক্তির জন্য সংসদীয় অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে। তবে ভুল পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্র চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটি স্বচ্ছ এবং এইচএস কোডভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্য কাঠামো নিশ্চিত করা, যাতে রপ্তানি খাত অস্থিরতা থেকে মুক্তি পায়।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের পর পাকিস্তানের সঙ্গে তেলচুক্তি করলেন ট্রাম্প

এআই যুগে সন্তান লালন-পালনই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

১৬ ও ২৫ মে চাঁদপুর ও ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপি মহাসচিবের কণ্ঠ নকল করে বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রচার

ভারতের বিরুদ্ধে আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেব না: মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

হাসিনাসহ তিন আসামির রায় সামনে, রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা

বোয়িং কেনায় তারেক রহমানকে ট্রাম্পের ধন্যবাদ

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যাবেন ড. ইউনূস

ভারত–পাকিস্তানকে পৃথক গ্রুপে রাখল আইসিসি

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক নয়: সৌদি আরবের আশ্বাস