আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী নির্বাচন। ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, দলটিকে বাদ দিয়েই অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি তৃতীয় ঘটনা যেখানে বড় দল হওয়া সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ সংসদ নির্বাচনে নেই। তবে আগের দুবার (১৯৮৮ ও ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি) তারা স্বেচ্ছায় বয়কট করলেও এবার আইনি ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটি নিষিদ্ধ অবস্থায় নির্বাচনী মাঠের বাইরে রয়েছে।
এক নজরে নির্বাচনী মানচিত্র:
- প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী: এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মধ্যে।
- অংশগ্রহণকারী: প্রায় ৫১টি রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। ২ হাজারের কাছাকাছি প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন।
- নতুন সংযোজন: প্রথমবারের মতো সাধারণ নির্বাচনের সাথে একই দিনে একটি জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে ভোটাররা সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দেবেন।
আওয়ামী লীগহীন পূর্ববর্তী ও বর্তমান নির্বাচনের তুলনা: | নির্বাচনের বছর | কারণ | প্রধান জয়ী দল | | :— | :— | :— | | ১৯৮৮ (৪র্থ সংসদ) | এরশাদ সরকারের অধীনে নির্বাচন বয়কট | জাতীয় পার্টি | | ১৯৯৬ (৬ষ্ঠ সংসদ) | তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বয়কট | বিএনপি | | ২০২৬ (১৩শ সংসদ) | গণহত্যা ও জুলাই অভ্যুত্থানে নিষিদ্ধ ঘোষণা | (প্রতীক্ষিত) |
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- মোট ভোটার: ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন।
- ব্যালট পেপার: প্রতিটি ভোটার দুটি ব্যালট পাবেন। সংসদ নির্বাচনের জন্য সাদা ব্যালট এবং গণভোটের জন্য গোলাপী ব্যালট।
- অন্যান্য প্রার্থী: জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের), সিপিবি, গণঅধিকার পরিষদসহ আরও অনেক দল মাঠে সক্রিয় রয়েছে।
আমি কি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটদান পদ্ধতি অথবা আপনার এলাকার নির্দিষ্ট প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য দেব?
এই ভিডিওটিতে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দলগুলো অংশগ্রহণ করছে এবং কারা মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হতে যাচ্ছে, তার একটি পরিষ্কার বিশ্লেষণ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন ২০২৬: কে কার মুখোমুখি



















