মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ঢাকা-৬ আসনের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সংগঠন গড়ে তোলার উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন সদ্য পদত্যাগ করা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন ও থানা-পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা জানান ইশরাক হোসেন।
স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ঢাকা-৬ আসনে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চান তিনি। এ লক্ষ্যে এলাকার সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি সংগঠন গড়ে তোলা হবে। সংগঠনটি স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে এবং প্রশাসনের সহযোগিতাও নেবে।
ইশরাক হোসেনের ভাষ্য, অত্যধিক ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো একটি সংস্থার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও জানান, মাদকবিরোধী কার্যক্রমের পাশাপাশি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধেও কাজ করতে চান তাঁরা। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে থানা-পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নিজের স্ট্যাটাসে ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেন, কিছু সংবাদপত্র, তাদের ফেসবুক পেজ, অনলাইন মাধ্যম এবং অন্যান্য গণমাধ্যম তাঁর এই উদ্যোগ বানচাল করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের প্রচেষ্টার পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরাও বাধা সৃষ্টি করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এলাকাবাসী ও ভোটারদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, অপরাধীদের বাধায় তাঁর উদ্যোগ থেমে যাবে না। একই সঙ্গে দেশের গণমাধ্যমের একটি অংশের সমালোচনা করে তিনি নতুন প্রজন্মকে নিয়ে নতুন ধারার গণমাধ্যম গড়ে তোলার প্রত্যাশার কথাও জানান।
ইশরাক হোসেনের এই ঘোষণার মূল লক্ষ্য ঢাকা-৬ এলাকায় মাদক ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলা।


















