সোমবার , ২৯ জুন ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

দেশের অর্থবছর ‘জানুয়ারি-ডিসেম্বর’ করার প্রস্তাব বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২৯, ২০২৬ ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

বাংলাদেশে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে প্রচলিত ‘জুলাই-জুন’ ভিত্তিক অর্থবছর পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ‘জানুয়ারি-ডিসেম্বর’ ভিত্তিক নতুন অর্থবছর চালুর জোরালো প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৮তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই নীতিগত ও কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন, প্রচলিত অর্থবছরের কারণে দেশের শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট প্রতি বছর অপচয় ও লুটপাটের মুখে পড়ছে, যা থেকে মুক্তি পেতে এই আমূল পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।

প্রচলিত ‘জুলাই-জুন’ অর্থবছরে ৪২% কাজ ও শেষ মুহূর্তের লুটপাট

সংসদে ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছর হিসাব করা হয়। এই জুলাই-জুন চক্রের কারণে বছরের শেষ তিন মাস (এপ্রিল, মে ও জুন) মূলত দেশের প্রধান বর্ষাকাল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মৌসুমের সাথে মিলে যায়। ফলে দেখা যায়, অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে যেখানে ধীরগতিতে মাত্র ৪২ শতাংশ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়, সেখানে জুন ক্লোজিংয়ের ঠিক আগমুহূর্তে বন্যা ও ভারী বৃষ্টির তোড়ে তাড়াহুড়ো করে বাকি সিংহভাগ কাজ শেষ করার একটি মারাত্মক প্রবণতা তৈরি হয়। এতে একদিকে যেমন কাজের গুণগত মান বা কোয়ালিটি অত্যন্ত নিম্নমানের হয়, অন্যদিকে ঠিকাদার ও আমলাদের যোগসাজশে জনগণের ট্যাক্সের টাকার অপচয় এবং হরিলুটের এক বিশাল দুয়ার উন্মুক্ত হয়ে যায়।

ক্যালেন্ডার ইয়ার চালুর সুবিধা ও সরকারের প্রতি আহ্বান

এই বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকট নিরসনে বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশের অর্থবছরকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা ক্যালেন্ডার ইয়ার (১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর) মেয়াদে পুনর্নির্ধারণ করার আহ্বান জানান। তিনি যুক্তি দেন যে, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর ভিত্তিক অর্থবছর চালু হলে শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই (জানুয়ারি-মার্চ) দেশের সব বড় বড় অবকাঠামো, রাস্তাঘাট ও উন্নয়ন প্রকল্পের মূল কাজ নির্বিঘ্নে শেষ করা সম্ভব হবে। এতে প্রকৃতির কারণে কোনো কাজ ব্যাহত হবে না এবং রাষ্ট্রীয় অর্থের সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে।

ডা. শফিকুর রহমান সরকারকে মনে করিয়ে দেন যে, বাজেট সংসদে পাস হলেও তা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের মূল চূড়ান্ত দায়িত্ব অর্পিত থাকে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ ও সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর। তাই তাদের মাধ্যমে জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এই সময়োপযোগী প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য তিনি সরকারপ্রধান ও অর্থমন্ত্রীর প্রতি জোর দাবি জানান।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

তারেক রহমানকে ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ কায়কোবাদের

তারেক রহমানের সঙ্গে ইইউ’র প্রধান নির্বাচন পর্যবেক্ষকের সাক্ষাৎ

খুমেক হাসপাতালে আগুন: নারী রোগীর মৃত্যু ও নার্সসহ পাঁচজন আহত

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লম্বা ছুটি শুরু

মাদক ও সাইবার অপরাধে ‘জিরো টলারেন্স’ নির্দেশ আইজিপির

ইরানে হামলার বিকল্প নিয়ে ট্রাম্পের ‘সিরিয়াস’ ভাবনা

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরলো ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

তুরস্কে আন্তঃনগর বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত ৭ ও আহত ১১

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৮৮ জন কর্মচারী চাকরি ফিরে পাচ্ছেন