মরক্কোর বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে শুরুতেই বেশ বড়সড় বিপাকে পড়েছিল ব্রাজিল। ম্যাচের ২১তম মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত ভিনিসিয়ূস জুনিয়রের দুর্দান্ত এক গোলে ১-১ গোলের সমতায় থেকে মাঠ ছেড়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সেলেসাওরা।
প্রথমার্ধের আক্রমণ ও মরক্কোর লিড
ম্যাচের শুরু থেকেই আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কো অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিতে থাকে:
- মরক্কোর হাই প্রেসিং: ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটে মরক্কো পুরোপুরি চড়াও হয়ে খেলে। তাদের হাই প্রেসিং ফুটবল ব্রাজিলের রক্ষণভাগকে অনবরত চাপের মুখে রাখে।
- ব্রাজিলের পাল্টা আক্রমণ: শুরুর ধাক্কা সামলে কিছুটা সময় নিয়ে নিজেদের গুছিয়ে নেয় ব্রাজিল। সেলেসাওদের একটি কাউন্টার অ্যাটাক থেকে মরক্কোর ডি-বক্সে দারুণ এক সুযোগ তৈরি হয় যেখানে সতীর্থের পাসে চমৎকার পজিশনে বল পান ইগর থিয়াগো, কিন্তু তিনি তা জালে জড়াতে ব্যর্থ হন।
- ইসমায়েল সাইবারির গোল: ম্যাচের ২১তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় মরক্কো। একটি নিখুঁত থ্রু পাস ধরে ব্রাজিলের তারকা গোলরক্ষক অ্যালিসনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে বল জালে জড়িয়ে মরক্কোকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ফরোয়ার্ড ইসমায়েল সাইবারি।
ভিনির সমতা সূচক গোল ও দ্বিতীয়ার্ধ
পিছিয়ে পড়ার পর গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল এবং দ্রুতই ম্যাচে ফেরে:
- ভিনিসিয়ূসের দুর্দান্ত ফিনিশিং: ম্যাচের ৩২তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে মরক্কোর বক্সে ঢুকে পড়েন ভিনিসিয়ূস জুনিয়র। সেখানে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দারুণ এক শটে মরক্কোর জাল কাঁপান এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
- বিরতি ও অনড় রক্ষণ: ভিনির এই সমতাসূচক গোলের পর ১-১ ব্যবধানে সমতায় থেকেই প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় দু’দল।
- নিষ্ফলা দ্বিতীয়ার্ধ: বিরতির পর দুই দলের মধ্যেই তীব্র আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের খেলা চলতে থাকে। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল বেশ কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ তৈরি করলেও ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় তা কাজে লাগাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ ড্রয়ের সন্তুষ্টি নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল ও মরক্কো।



















