মঙ্গলবার , ২ জুন ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

একা ঘরে মায়ের মরদেহে পচন, জানেনা সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছেলেরা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২, ২০২৬ ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ. প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর অন্তত সাত থেকে আট দিন পর তাঁর এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়. রোববার (১ জুন) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পল্লবী থানা পুলিশ. পরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে.

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, নুরজাহান বেগম তাঁর মেয়ের বাসায় থাকতেন, তবে তিনি একটি আলাদা কক্ষে অবস্থান করতেন. বেশ কয়েকদিন ধরে তাঁর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে মেয়ে একজন নার্সকে ডেকে আনেন. ওই নার্স কক্ষে গিয়ে বৃদ্ধাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং পরবর্তীতে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়. দীর্ঘদিন ধরে ঘরের ভেতর লাশ পড়ে থাকায় মরদেহে পচন ধরেছিল এবং পুরো কক্ষে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল. পুলিশ জানিয়েছে, যে ঘরে ওই বৃদ্ধা থাকতেন, সেটি অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ও আবর্জনায় ভরা ছিল. ঘটনাস্থলের এমন শোচনীয় অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলা ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার অভাবে ভুগছিলেন.

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই বৃদ্ধার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে. জানা গেছে, মৃত নুরজাহান বেগমের তিন ছেলেই সমাজে অত্যন্ত প্রতিষ্ঠিত. তাঁদের মধ্যে একজন সরকারের যুগ্ম সচিব, একজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং অন্যজন কানাডাপ্রবাসী. এছাড়া তাঁর মেয়ের স্বামীও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন. ওসির তথ্যমতে, বৃদ্ধার মৃত্যুর সময় ও কারণ সম্পর্কে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি. এই রহস্যজনক মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে জানিয়ে পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে.

সর্বশেষ - অপরাধ