ইরান ইস্যুতে নিজের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানের বিষয়ে তাঁর ধৈর্য প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানকে আর সময় না দিয়ে দ্রুত একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছানো উচিত। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে ট্রাম্পের এই মন্তব্য নতুন করে কূটনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।
শি জিনপিংয়ের মধ্যস্থতার প্রস্তাব: বর্তমানে চীন সফরে থাকা ট্রাম্প জানান, বেইজিংয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, শি জিনপিং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শি জিনপিং ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করেছেন যে চীন ইরানকে কোনো ধরনের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করবে না। এছাড়া বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্বার্থে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়েও দুই নেতা একমত হয়েছেন।
কূটনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ: বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য একদিকে ইরানের ওপর সরাসরি চাপ প্রয়োগের কৌশল, অন্যদিকে চীনকে এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করে তেহরানকে একঘরে করার চেষ্টা। চীনের মতো বড় শক্তির সামরিক সহায়তা না পাওয়ার বিষয়টি ইরানের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। আগামী দিনগুলোতে তেহরান ট্রাম্পের এই আহ্বানে সাড়া দেয় কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই



















