গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে এক ভয়াবহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৮ মে) রাতে প্রবাসী মনিরের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানসহ একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার সকালে বাড়ির ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহগুলো পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। এই লোমহর্ষক ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পুলিশের প্রাথমিক পদক্ষেপ ও তদন্ত খবর পেয়ে কাপাসিয়া থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে প্রবাসী মনিরের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছেন। তবে নিহত বাকি সদস্যদের পরিচয় এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা বর্তমানে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছেন এবং আলামত সংগ্রহের পাশাপাশি জড়িতদের শনাক্ত করতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছেন।
নিরাপত্তা উদ্বেগ ও বর্তমান প্রেক্ষাপট বর্তমানে যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে সুশাসন ও আইনশৃঙ্খলার আমূল সংস্কারের কাজ চলছে এবং পাকিস্তানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি ঢাকা সফরে এসে নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করছেন, তখন গাজীপুরে এমন গণহত্যামূলক ঘটনা মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জকে নতুন করে সামনে এনেছে। গতকালই সাভারে হকারদের হামলায় আনসার সদস্যরা গুরুতর আহত হয়েছেন, আর আজ কাপাসিয়ার এই হত্যাকাণ্ড জননিরাপত্তার বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।



















