আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানের বাইরে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শনকালে তিনি এই ঘোষণা দেন। মূলত মহাসড়ক ও রেললাইনের পাশে যত্রতত্র হাট বসিয়ে জনভোগান্তি ও যানজট সৃষ্টি রোধ করতেই সরকার এবার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারের ঈদ ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হবে।
সমন্বিত নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণ প্রতিমন্ত্রী জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং গাবতলী এলাকার চিরচেনা যানজট নিরসনে এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি ‘মাস্টার প্ল্যান’ তৈরি করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি বিজিবি এবং সেনাবাহিনীও মাঠে থাকবে। এছাড়া জাল টাকা শনাক্তকরণে বিশেষ বুথ এবং হাটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হবে। মহাসড়কগুলোতে পশুবাহী ট্রাকের কারণে যাতে বিশৃঙ্খলা না ঘটে, সে বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও জাতীয় প্রেক্ষাপট বর্তমানে যখন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া অংশে দীর্ঘ যানজটে মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এবং সরকার ৫ বছরের মধ্যে ৫ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে, তখন রাজধানী ও দেশের প্রধান রুটগুলোর ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বর্তমানে সমরখন্দে এডিবি সম্মেলনে ব্যস্ত এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বেইজিংয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করছেন, যা দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এই বড় বড় উন্নয়ন ও সংস্কারের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখা বর্তমান সরকারের বড় পরীক্ষা।



















