পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এক সমৃদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২১ মার্চ ২০২৬) বেলা সাড়ে ১২টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি গণমাধ্যমের সামনে এই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। ১৭ বছরের দীর্ঘ প্রবাস জীবন কাটিয়ে দেশের মাটিতে ঈদ উদযাপন করতে পেরে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল নির্যাস:
- শান্তিপূর্ণ আগামীর প্রত্যাশা: প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের মানুষ ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবে। জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
- গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা: তাঁর বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
- ঐক্যের আহ্বান: তারেক রহমান বলেন, “দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।” তিনি দেশ গঠনে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন এবং নির্বাচিত সরকারের শক্তি হিসেবে জনগণের সমর্থনকে মূল ভিত্তি হিসেবে অভিহিত করেন।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে যমুনা প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রিয় নেতার সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। পরিশেষে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে সবাইকে আবারও ‘ঈদ মোবারক’ জানান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম দেশব্যাপী ঈদের আনুষ্ঠানিক ভাষণতুল্য বক্তব্য, যা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।



















